ব্রাজিলে ঔষধজাত পণ্য রপ্তানি

ব্রাজিলে ঔষধজাত পণ্য রপ্তানি

 

মোঃ জয়নাল আব্দীন
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ (টিআইবি)
সম্পাদক, টিএন্ডআইবি বিজনেস ডিরেক্টরি; নির্বাহী পরিচালক, অনলাইন ট্রেনিং একাডেমি
মহাসচিব, ব্রাজিল বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিবিসিসিআই)

 

ব্রাজিল ল্যাটিন আমেরিকার সর্ববৃহৎ ঔষধ বাজার এবং বিশ্বব্যাপী শীর্ষ ঔষধ ভোক্তা দেশগুলোর অন্যতম। ২০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যা, সার্বজনীন সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা “সিস্টেমা ইউনিকো দে সাউদে (এসইউএস)” এবং দ্রুত সম্প্রসারিত বেসরকারি স্বাস্থ্যখাত এই তিনটি উপাদান ব্রাজিলে ঔষধের স্থায়ী ও ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি করেছে। জেনেরিক ঔষধ ব্রাজিলের বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে, যা প্রতিযোগিতামূলক দামে উচ্চমানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম প্রস্তুতকারকদের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি করে।

 

বাংলাদেশের ঔষধশিল্প এখন দেশের অন্যতম প্রযুক্তিনির্ভর ও অগ্রসর উৎপাদন খাত। বর্তমানে বাংলাদেশ ১৫০টিরও বেশি দেশে ঔষধ রপ্তানি করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানসম্পন্ন উৎপাদন সনদপ্রাপ্ত কারখানা, উন্নত পরীক্ষাগার সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গুণগত ব্যবস্থাপনার কারণে বাংলাদেশের জেনেরিক ঔষধ আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। এই প্রেক্ষাপটে ব্রাজিল এমন একটি উচ্চমূল্যের ও উচ্চমান-নির্ভর বাজার, যেখানে সুশৃঙ্খল প্রস্তুতি ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করলে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।

 

ব্রাজিলে ঔষধ রপ্তানির পূর্বপ্রস্তুতি

 

নিয়ন্ত্রক প্রস্তুতি এএনভিসা অনুমোদন

ব্রাজিলের জাতীয় স্বাস্থ্য তদারকি সংস্থা “এএনভিসা” ঔষধ আমদানির ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করে। ব্রাজিলে ঔষধকে সাধারণ পণ্য হিসেবে গণ্য করা হয় না; প্রতিটি পণ্যকে নিবন্ধন, অনুমোদন এবং মান যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

 

রপ্তানির আগে প্রস্তুতকারককে নিশ্চিত করতে হবে যে তার উৎপাদন কারখানা আন্তর্জাতিক মানসম্মত সুষ্ঠু উৎপাদন পদ্ধতি অনুসরণ করে। পূর্ণাঙ্গ প্রযুক্তিগত নথি, স্থায়িত্ব তথ্য, উৎপাদন প্রক্রিয়ার বৈধতা, গুণমান নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, বিশ্লেষণ সনদ এবং ফার্মাকোভিজিল্যান্স ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা আবশ্যক।

 

ব্রাজিলে সাধারণত স্থানীয় লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান পণ্যের নিবন্ধন করে থাকে। তাই সঠিক স্থানীয় অংশীদার নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

পণ্য নির্বাচন কৌশল

ব্রাজিলের বাজার অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। সাধারণ জেনেরিক ট্যাবলেট বা ক্যাপসুলের ক্ষেত্রে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা তীব্র। তাই রপ্তানিকারকদের উচিত এমন পণ্য নির্বাচন করা যেখানে তারা মূল্য, মান, প্রযুক্তি ও সরবরাহ সক্ষমতার সমন্বয়ে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন করতে পারে।

 

ইনজেকশন, অনকোলজি, হরমোন, বিশেষায়িত হাসপাতাল-ভিত্তিক পণ্য এবং জটিল ডোজ ফর্মে বাংলাদেশের কিছু কোম্পানি ইতিমধ্যে দক্ষতা অর্জন করেছে এই ক্ষেত্রগুলো ব্রাজিলে প্রবেশের জন্য কৌশলগত হতে পারে।

 

প্যাকেজিং ভাষাগত সামঞ্জস্য

ব্রাজিলে সমস্ত লেবেল ও তথ্যপত্র পর্তুগিজ ভাষায় প্রস্তুত করতে হয়। কার্টন, লিফলেট, ডোজ নির্দেশিকা এবং সতর্কীকরণ বিবরণ স্থানীয় বিধি অনুযায়ী উপস্থাপন করতে হবে।

 

সরবরাহ শৃঙ্খল গুণমান নিশ্চয়তা

নিয়মিত সরবরাহ, ব্যাচ ট্রেসেবিলিটি, অভিযোগ ব্যবস্থাপনা, এবং দ্রুত প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের সক্ষমতা ব্রাজিলের অংশীদারদের আস্থা অর্জনের মূল চাবিকাঠি।

 

ব্রাজিলে ঔষধ আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কর

 

আমদানি শুল্ক

ব্রাজিলে আমদানি শুল্ক পণ্যের এইচএস কোড অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। অনেক ঔষধ পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক হার শূন্য থেকে প্রায় ১৪ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। কিছু অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের ক্ষেত্রে শুল্ক ছাড়ও প্রযোজ্য হতে পারে।

 

শিল্পজাত পণ্যের উপর কর

ঔষধ আমদানির ক্ষেত্রে শিল্পজাত পণ্যের উপর নির্দিষ্ট হারে কর আরোপ হতে পারে, যা পণ্যের শ্রেণিবিন্যাসের উপর নির্ভরশীল।

 

সামাজিক অবদানমূলক কর

আমদানিকৃত পণ্যের উপর সামাজিক অবদানমূলক কর আরোপ হয়, যা সাধারণত কাস্টমস মূল্যের উপর নির্ধারিত হয় এবং মোট ব্যয়ের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।

 

প্রাদেশিক মূল্য সংযোজন কর

প্রত্যেক প্রদেশে পণ্যের চলাচলের উপর পৃথক হারে মূল্য সংযোজন কর প্রযোজ্য হয়, যা সাধারণত ১২ থেকে ১৮ শতাংশের মধ্যে হতে পারে।

 

সমুদ্রপথ পরিবহন সংক্রান্ত অতিরিক্ত চার্জ

সমুদ্রপথে আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ভাড়ার উপর অতিরিক্ত চার্জ আরোপ হতে পারে, যা চূড়ান্ত খরচ নির্ধারণে বিবেচনা করা জরুরি।

 

এই বহুমাত্রিক কর কাঠামোর কারণে রপ্তানিকারকদের উচিত ব্রাজিলের অংশীদারের সাথে যৌথভাবে পূর্ণাঙ্গ ল্যান্ডেড কস্ট বিশ্লেষণ প্রস্তুত করা।

 

বাংলাদেশের শীর্ষ ২৫ ঔষধ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান

 

১। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি

ওয়েবসাইট: https://www.squarepharma.com.bd/
স্কয়ার বাংলাদেশের বৃহত্তম ঔষধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। অত্যাধুনিক উৎপাদন অবকাঠামো, বিস্তৃত গবেষণা সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দীর্ঘদিনের উপস্থিতি স্কয়ারকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে।

 

২। ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://www.inceptapharma.com/
ইনসেপ্টা উন্নত প্রযুক্তির ইনজেক্টেবল, ইনহেলেশন এবং ভ্যাকসিন উৎপাদনে দক্ষতা অর্জন করেছে এবং বহির্বিশ্বে দ্রুত সম্প্রসারণশীল।

 

৩। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি

ওয়েবসাইট: https://beximcopharma.com/
বেক্সিমকো আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন সুবিধা ও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক টিমের মাধ্যমে উচ্চ নিয়ন্ত্রিত বাজারেও রপ্তানি করছে।

 

৪। রেনাটা পিএলসি

ওয়েবসাইট: https://renata-ltd.com/
রেনাটা গুণগত মান ও পণ্যের স্থায়িত্বের জন্য সুপরিচিত এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ধারাবাহিক সম্প্রসারণ করছে।

 

৫। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস

ওয়েবসাইট: https://www.skfbd.com/
উচ্চমানসম্পন্ন উৎপাদন, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এসকেএফকে বৈশ্বিক বাজারে গ্রহণযোগ্য করেছে।

 

ব্রাজিলে ঔষধজাত পণ্য রপ্তানি
ব্রাজিলে ঔষধজাত পণ্য রপ্তানি

 

৬। এসিএমই ল্যাবরেটরিজ

ওয়েবসাইট: https://www.acmeglobal.com/
বহুমুখী পণ্য উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ কৌশল এসিএমইকে শক্তিশালী রপ্তানিকারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

 

৭। এসিআই ফার্মাসিউটিক্যালস

ওয়েবসাইট: https://www.acipharma.net/
এসিআই শক্তিশালী কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা সহায়তায় আন্তর্জাতিক বাজারে অগ্রসর হচ্ছে।

 

৮। অপসোনিন ফার্মা

ওয়েবসাইট: https://www.opsonin-pharma.com/
দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বিস্তৃত উৎপাদন সক্ষমতা অপসোনিনকে আন্তর্জাতিকভাবে সক্ষম সরবরাহকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

 

৯। হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস

ওয়েবসাইট: https://www.hplbd.com/
বহু থেরাপিউটিক সেগমেন্টে দক্ষতা ও মাননির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানটিকে রপ্তানিতে এগিয়ে নিয়েছে।

 

১০। অ্যারিস্টোফার্মা লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://www.aristopharma.com/
অ্যারিস্টোফার্মা বাংলাদেশের অন্যতম উদ্ভাবনমুখী ঔষধ প্রস্তুতকারক। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত নতুন জেনেরিক ও বিশেষায়িত ডোজ ফর্ম বাজারে আনছে। আধুনিক গবেষণা ও উন্নয়ন সুবিধা, সুসংগঠিত গুণমান নিশ্চয়তা বিভাগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণ কৌশল অ্যারিস্টোফার্মাকে ব্রাজিলের মতো নিয়ন্ত্রিত বাজারে সম্ভাবনাময় অংশীদার করে তুলেছে।

 

১১। বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি

ওয়েবসাইট: https://beaconpharma.com.bd/
বিকন বিশেষভাবে অনকোলজি ও উচ্চপ্রযুক্তি ডোজ ফর্ম উৎপাদনে দক্ষ। অত্যাধুনিক কারখানা ও গবেষণা সক্ষমতা প্রতিষ্ঠানটিকে বিশেষায়িত চিকিৎসা সেগমেন্টে শক্ত অবস্থান দিয়েছে।

 

১২। ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://drug-international.com/
দীর্ঘদিনের উৎপাদন অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক রপ্তানি নেটওয়ার্ক এবং গুণমান-নির্ভর ব্যবস্থাপনা ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালকে স্থিতিশীল রপ্তানিকারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

 

১৩। পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি

ওয়েবসাইট: http://www.popular-pharma.com/
পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস শক্তিশালী ব্র্যান্ড ও আধুনিক উৎপাদন সুবিধার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ বাড়াচ্ছে। বহুমাত্রিক থেরাপিউটিক লাইনের কারণে এটি বড় আকারের বিতরণ চুক্তির জন্য উপযোগী।

 

১৪। নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি

ওয়েবসাইট: https://navanapharma.com/
নাভানা দ্রুত সম্প্রসারণশীল উৎপাদন অবকাঠামো ও রপ্তানি-উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যবসায়িক কৌশল অনুসরণ করছে। মানসম্মত উৎপাদন ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে।

 

১৫। ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://orionpharmabd.com/
ওরিয়ন দীর্ঘদিনের উৎপাদন ঐতিহ্য, বিস্তৃত পণ্য তালিকা এবং স্থিতিশীল কর্পোরেট কাঠামোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে ধীরে ধীরে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে।

 

১৬। ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি

ওয়েবসাইট: https://www.ibnsinapharma.com/
ইবনে সিনা সুসংগঠিত উৎপাদন ব্যবস্থা, বিস্তৃত ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এবং উন্নত মান নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামোর মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে।

 

১৭। জিস্কা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://www.ziskapharma.com/
জিস্কা গবেষণা-নির্ভর পণ্য উন্নয়ন ও মানসম্মত উৎপাদনে জোর দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করছে। উদ্ভাবন ও পণ্যের বৈচিত্র্য প্রতিষ্ঠানটির শক্তি।

 

১৮। নুভিস্তা ফার্মা লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://nuvistapharma.com/
নুভিস্তা স্থিতিশীল উৎপাদন কাঠামো ও সম্প্রসারণমুখী রপ্তানি পরিকল্পনার মাধ্যমে বৈদেশিক বাজারে অবস্থান তৈরি করছে।

 

১৯। ইউনিমেড ইউনিহেলথ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://unimedunihealth.com/
উচ্চমানসম্পন্ন উৎপাদন, কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠানটিকে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছে।

 

২০। নিপ্রো জেএমআই ফার্মা লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://www.niprojmipharma.com/
জাপানি প্রযুক্তিগত সহায়তায় পরিচালিত এই যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটি কঠোর মাননিয়ন্ত্রণ ও নির্বীজ উৎপাদনে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছে, যা নিয়ন্ত্রিত বাজারে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা প্রদান করে।

 

২১। এপেক্স ফার্মা লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://www.apexpharmabd.com/
এপেক্স আধুনিক উৎপাদন ইউনিট, নির্দিষ্ট থেরাপিউটিক ফোকাস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণ পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রুত অগ্রসরমান প্রতিষ্ঠান।

 

২২। জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://generalpharma.com/
জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস শক্তিশালী উৎপাদন সক্ষমতা ও সক্রিয় রপ্তানি কৌশল নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণ করছে।

 

২৩। বায়োফার্মা লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://www.biopharmabd.com/
বায়োফার্মা বহুমুখী উৎপাদন লাইন ও ক্রমবর্ধমান রপ্তানি কার্যক্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করছে।

 

২৪। রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://www.radiantpharmabd.com/
রেডিয়েন্ট শক্তিশালী ব্র্যান্ড পোর্টফোলিও, আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক বাজারমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে রপ্তানি সম্প্রসারণ করছে।

 

২৫। রেডিয়েন্ট নিউট্রাসিউটিক্যালস লিমিটেড

ওয়েবসাইট: https://www.radiantnutrabd.com/
রেডিয়েন্ট নিউট্রাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্যসম্পূরক ও বিশেষায়িত পণ্যের মাধ্যমে ঔষধ শিল্পের পরিপূরক খাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করছে।

Export Consultants in Bangladesh: A Practical Guide for Foreign Exporters Entering the Bangladesh Market
Export Consultants in Bangladesh: A Practical Guide for Foreign Exporters Entering the Bangladesh Market

ব্রাজিল–বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহায়তা

ব্রাজিলে ঔষধ রপ্তানি শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের বিষয় নয়; এটি সম্পর্ক, বিশ্বাস ও কৌশলগত নেটওয়ার্ক গঠনের বিষয়। চেম্বার দ্বিপাক্ষিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ, বৈঠক আয়োজন, সম্ভাব্য আমদানিকারক ও পরিবেশকের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং ভাষাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবধান দূরীকরণে সহায়তা প্রদান করে।

 

সদস্যপদ গ্রহণের গুরুত্ব

সদস্যপদ গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, বাণিজ্য মিশন, নীতি সহায়তা এবং সরাসরি ব্যবসায়িক সংযোগের সুবিধা লাভ করে। ব্রাজিলে দীর্ঘমেয়াদি বাজার গড়ে তুলতে এটি একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম।

 

উপসংহার

ব্রাজিলে ঔষধ রপ্তানি একটি চ্যালেঞ্জিং কিন্তু অত্যন্ত সম্ভাবনাময় উদ্যোগ। সঠিক নিয়ন্ত্রক প্রস্তুতি, কর কাঠামো বোঝাপড়া, সুসংগঠিত অংশীদার নির্বাচন এবং ধারাবাহিক মান বজায় রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রস্তুতকারকরা ব্রাজিলের বাজারে টেকসই অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে। দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি, পেশাদার পরিকল্পনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা এই তিনটির সমন্বয়ই ব্রাজিলে সাফল্যের চাবিকাঠি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like these